মূর্খকে যদি সদুউপদেশ দেওয়া হয়, তাহলে সে তা গ্রহন করতে পারে না। উল্টে সে ক্রুুদ্ধ হয়। এই ক্রুধকে সাপের বিষের সঙ্গে তুলনা করা হয়,কারণ সাপকে যখন দুধ কলা খাওয়ানো হয় তখন তার বিষ বৃদ্ধি পায়। সাপকে ভাল ভাল খাদ্য খেতে দিলে দয়ালু ও বিনম্র হওয়ার পরিবর্তে সাপের বিষ বৃদ্ধি পায়।তেমনি মূর্খকে যখন উপদেশ দেওয়া হয়, তখন সে নিজেকে সংশোধন করার পরিবর্তে ক্রুদ্ধ হয়।( শ্রীমদ্ভাগবতম ৪/২৬/২২ শ্রীল প্রভুপাদের তাৎপর্য)
দ্রৌপদীর মান রক্ষা - ভক্তের কখনও বিনাশ নেই
মহাভারতে আমরা দেখতে পাই হস্তিনাপুরে যখন দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ হয়, তখন দ্রৌপদীর দুইহাতে কাপড় জোর করে ধরে আকুল কন্ঠে ভগবানকে ডাকছেন, হে দ্বারকানাথ! তুমি একবার এসে আমার মান রক্ষা কর, তুমি ছাড়া আমার কেউ নাই।🌿 ♦️কোনও সাড়া পেলেন না। তার পর দুঃশাসন যখন জোর করে কাপড় টেনে নিল, তখন বাম হাতে জোর করে কাপড় ধরে রেখে ডান হাত উঁচু করে ডাকছেন, হে বৈকুন্ঠনাথ! কৃপা করে এসে এই দুখিনীর মান রক্ষা কর, আমাকে বাঁচাও।🌺 এই বলে আকুল হয়ে কাঁদছেন, কিন্তু তবুও ভগবানের কোন সাড়া নেই বা এলেন না। দ্রৌপদী তখন নিরাশ হয়ে পড়ছেন। কিন্তু দুঃশাসন ছাড়ার বান্দা না, সে তখন আবার জোর করে টেনে নিলেন কাপড়, দ্রৌপদী তখন আর থাকতে না পেরে দুই হাত উঁচু করে আকুল প্রাণে কাঁদিতে কাঁদিতে ডাকছেন, হে প্রাণনাথ! হে প্রাণবল্লভ! কৃপা করে একবার এসে এই দাসাকে বাঁচাও, প্রাণ রক্ষা কর, আমার মান রক্ষা কর।🌿 ♦️তখন আর কাপড় ফুরায় না, শ্রীভগবান তখন কাপড় রূপ ধারণ করে দ্রৌপদীর মান রক্ষা করলেন, দুঃশাসন একেবারেই পরাস্ত হয়ে গেলেন।🌺 ♦️তারপর দ্রৌপদী কোন নির্জ্জন গৃহে যখন বসে আছেন, তখন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁর প্রত্যক্ষভাবে দেখা দিলেন। দ্রৌপদী শ্রীকৃষ্ণকে দেখ...

0 Comments